খুঁজুন

আসসালামু আলাইকুম

[bangla_day], [english_date], [bangla_date]

টঙ্গীবাড়ীতে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ।

টঙ্গীবাড়ীতে আগে ঘুষ, পরে স্বাক্ষর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: Tuesday, ১১ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৪৪ am
টঙ্গীবাড়ীতে আগে ঘুষ, পরে স্বাক্ষর
১৩০

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার উপজেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) আতিকুর রহমান এ অভিযোগ করেন।

তিনি জানান, সেবা নিতে গেলে এখানে ঘুষ ছাড়া কোনো ফাইলই ছাড়া হয় না। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, পেনশন এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করতে গেলেই দিতে হয় মোটা অঙ্কের উৎকোচ।

সেবা নিতে আসা উপজেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাব-অফিসার মকবুল হোসেন জানান, তার নিজস্ব সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল থেকে অর্থ উত্তোলন করতে গেলে সহকারী নিরীক্ষক মো. মাসুদ তার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা দাবি করেন।

সেবা নিতে আসা ফায়ার ফাইটার রুহুল আমিন জানান, উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে শান্তি-বিনোদন ভাতা ২৩ হাজার ৫ শত টাকা তুলতে গেলে সহকারী নিরীক্ষক মো. মাসুদ তার কাছ থেকেও ১ হাজার টাকা দাবি করেন।

পরে বিষয়টি উপজেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) আতিকুর রহমানকে জানালে তিনি ঘটনাস্থলে এসে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি জানান।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন ভাতা উত্তোলনের সময় তার কাছ থেকেও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার কাজী শহিদুল ইসলামের নাম ব্যবহার করে সহকারী নিরীক্ষক মো. মাসুদ উৎকোচ দাবি করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক জানান, “আমরা শিক্ষক মানুষ, কতটাইবা বেতন পাই। আমাদের কাছ থেকেও টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়ে না।”

এ বিষয়ে সহকারী নিরীক্ষক মো. মাসুদ বলেন, “সাংবাদিকরা অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিল সম্পর্কে বুঝবেন না। অফিসে আসেন, বুঝিয়ে দেব।”

উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, “ঘটনাস্থলে আমি ছিলাম না। সহকারী নিরীক্ষক মো. মাসুদকে নিয়ে একটি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে দুই পক্ষকে ডেকে সমাধান করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আটকানো ফাইল দুটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অনিয়মের বিষয়ে সত্যতা পেলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”

টঙ্গীবাড়ীতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Wednesday, ২০ মে, ২০২৬, ৮:৩৭ pm
টঙ্গীবাড়ীতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় এক যুবকের বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যরা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের জমিজমা–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ একটি চক্র সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও হয়রানির উদ্দেশ্যে এ অভিযোগ সাজিয়েছে।
বুধবার (২০ মে) বিকেলে উপজেলার রংমেহার বিক্রমপুর টঙ্গীবাড়ী ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন অভিযুক্ত জনি শেখের পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, উপজেলার ধীপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকার জনি শেখ (২২), পিতা জসিম শেখের বিরুদ্ধে প্রতিবেশী মোয়াজ্জেম শেখ থানায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ এনে লিখিত আবেদন করেছেন। তবে অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেন পরিবারের সদস্যরা।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। সেই বিরোধের জের ধরে মোফাজ্জল হোসেন শেখ (৩৫), মোয়াজ্জেম শেখ (৪৫), পারভেজ শেখ (৩০), সোহাগ শেখ (৩২) এবং প্রতিবন্ধী মুন্নী আক্তারকে ব্যবহার করে জনি শেখের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ধর্ষণচেষ্টার নাটক’ সাজানো হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জনি শেখের বাবা জসিম শেখ বলেন, “আমার ছেলে সম্পূর্ণ নির্দোষ। পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।”
অভিযুক্ত জনি শেখ বলেন, “যে সময় ঘটনার কথা বলা হচ্ছে, সে সময় আমি টঙ্গীবাড়ি বাজারের একটি ফুলের দোকানে কর্মরত ছিলাম। সেখানে সিসিটিভি ফুটেজও রয়েছে। তারপরও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে মানহানি করা হচ্ছে।”
জনি শেখের মা খোরশেদা বেগম বলেন, “আমার ছেলেকে অন্যায়ভাবে অভিযুক্ত করায় সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”
এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুল হক ডাবলু বলেন, “এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

টঙ্গীবাড়ীতে প্রশাসনের অভিযানে যুবদল নেতার বেকু ভেঙে দেওয়ায় সাংবাদিকদের উপর হামলা

হোসেন হাওলাদার
প্রকাশিত: Tuesday, ১৯ মে, ২০২৬, ১০:০৬ am
টঙ্গীবাড়ীতে প্রশাসনের অভিযানে যুবদল নেতার বেকু ভেঙে দেওয়ায় সাংবাদিকদের উপর হামলা

 

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে অবৈধভাবে বেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে ফসলি জমি কাটার ঘটনায় প্রশাসনের অভিযানের পর দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা যুবদল নেতা ইকরাম মল্লিক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, রোববার বিকেলে উপজেলার সিদ্দেশ্বরী বাজারের পূর্ব পাশে রাউৎভোগ বিল এলাকায় অবৈধভাবে ফসলি জমি কাটার অভিযোগে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওয়াজেদ ওয়াসিফ ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অভিযানে ব্যবহৃত বেকু মেশিনটি বিনষ্ট করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের অভিযানে বেকু মেশিনটি বিনষ্ট করার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে সিদ্দেশ্বরী বাজার এলাকায় টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার প্রতিনিধি ফিরুজ আলম বিপ্লব এবং দৈনিক সময় বাংলাদেশ পত্রিকার প্রতিনিধি হোসেন হাওলাদারের ওপর হামলা চালানো হয়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক ফিরুজ আলম বিপ্লব অভিযোগ করে বলেন, “উপজেলা যুবদল নেতা ইকরাম মল্লিক, ছাত্রদল নেতা সজিব রায়হান, পাচগাঁও ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, পাচগাঁও ইউনিয়ন যুবদল নেতা সোহেল মোল্লাসহ ১০-১২ জন আমার চাচা শাহিন শেখ এর দোকানে এসে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং মারধর করে।”

আহত অপর সাংবাদিক হোসেন হাওলাদার বলেন, ইকরাম মল্লিক আমাকে ফোন করে সিদ্ধেশ্বরী বাজারে এনে মারধর করেন। এসময় তার সাথে আরো ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী ছিলো। ইকরাম মল্লিক বলেন,আমরা নাকি তার বেকুর তথ্য প্রশাসন কে দিয়েছি।

হামলার পর স্থানীয় এলাকাবাসী আহত দুই সাংবাদিককে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তারা চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত উপজেলা যুবদল নেতা ইকরাম মল্লিক। মুঠোফোনে তিনি বলেন, “আমি সাংবাদিকদের মারধর করিনি, শুধু কথা কাটাকাটি হয়েছে।”

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলসহ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

“মিজানুর রহমান সিনহা ছিলেন অমায়িক মানুষ” — ডা. আবু ইউসুফ ফকির

অনিক শেখ
প্রকাশিত: Monday, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:৩৩ pm
“মিজানুর রহমান সিনহা ছিলেন অমায়িক মানুষ” — ডা. আবু ইউসুফ ফকির

মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. আবু ইউসুফ ফকির। তিনি বলেন, “মিজানুর রহমান সিনহা ছিলেন একজন অমায়িক ও মানবিক মানুষ। রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন আন্তরিকতার সঙ্গে।”

তিনি আরও বলেন, “মুন্সিগঞ্জসহ সারাদেশের মানুষের কাছে তিনি ছিলেন একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব। তার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ও মানবিক মানুষকে হারালো।”

ডা. আবু ইউসুফ ফকির মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মিজানুর রহমান সিনহা গত ১৫ মে দিবাগত রাতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তিনি মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

You cannot copy content of this page