হুফফাজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় জামিয়া আরাবিয়া বিক্রমপুর বাদশাহী মাদ্রাসার অনন্য অর্জন।
হুফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত ৩১তম আন্তঃথানা প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে জামিয়া আরাবিয়া বিক্রমপুর বাদশাহী দারুল উলুম ইসলাহী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন গ্রুপে অংশ নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জনের পাশাপাশি সর্বমোট ৬০টি পুরস্কার অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা।
প্রতিযোগিতার হাফিজ বিভাগে ৩০ পারা গ্রুপে জামিয়া আরাবিয়া বিক্রমপুর বাদশাহী দারুল উলুম ইসলাহী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও অষ্টম স্থান অধিকার করে। এছাড়া ২০ পারা গ্রুপে ষষ্ঠ স্থান এবং ৫ পারা গ্রুপে প্রথম ও অষ্টম স্থান অর্জন করে তারা।
শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্যে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কুরআন শিক্ষার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই এ অসাধারণ অর্জন সম্ভব হয়েছে।
প্রতিযোগিতায় জামিয়া আরাবিয়া বিক্রমপুর বাদশাহী দারুল উলুম ইসলাহী মাদ্রাসার প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মাওলানা কাওসর আহমেদ।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস হযরত হাফেজ মাওলানা মুফতি আবদুল আলিম বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আন্তঃটঙ্গীবাড়ী থানা প্রতিযোগিতায় অত্যন্ত ভালো ফলাফল অর্জন করে প্রতিষ্ঠানের সুনাম বয়ে এনেছে। তাদের এই অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের।”
তিনি আরও বলেন, সামনে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে। এ জন্য তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করে বলেন, “আপনাদের দোয়া আমাদের অত্যন্ত প্রয়োজন। আপনাদের দোয়ার মাধ্যমে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই। ইনশাআল্লাহ আমাদের ছাত্ররা ভবিষ্যতে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ভালো ফলাফল অর্জন করে প্রতিষ্ঠানের জন্য আরও সুনাম বয়ে আনবে।”
অন্যদিকে, হুফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশনের টঙ্গীবাড়ী থানা শাখার সেক্রেটারি হাফিজ ওমর ফারুক বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে। যাতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায় এবং নিজেদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে এগিয়ে নেওয়া এবং কুরআন শিক্ষায় তাদের আরও উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
জামিয়া আরাবিয়া বিক্রমপুর বাদশাহী দারুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের এই অর্জনকে প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি গৌরবময় অধ্যায় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।





আপনার মতামত লিখুন