আড়িয়লে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় নির্বাচনী গণসংযোগ
মুন্সিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি হরগঙ্গা কলেজে ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে একটি হেল্প ডেস্ক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মসূচির মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের মাঝে কলম, বিশুদ্ধ পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অভিভাবকদের জন্য বসার সুব্যবস্থা রাখা হয়। এছাড়াও জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা, রক্তচাপ (প্রেসার) মাপা সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল আলিম, যুগ্ম সমন্বয়ক ফারজানা আক্তার, জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক শিশির হাসান, মুখ্য সংগঠক শান্ত, যুগ্ম সদস্য সচিব নয়ন আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক অভি আহমেদ এবং মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির সদস্য সচিব জুয়েল আহমেদসহ জেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সরকারি হরগঙ্গা কলেজ মুন্সিগঞ্জ জেলার একটি ঐতিহাসিক ও স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে জেলায় এবং সারাদেশে সুপরিচিত। প্রতিবছর এই কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে থাকে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নিতে আসে।
মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ঘুষ গ্রহণকারী কর্মচারী স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমানসহ
ভুল তথ্য ছড়ানো ও কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অনুপস্থিতি থাকা ও নানা অনিয়মের অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের ৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে জেলা শহরের ২৫০ শয্যার মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে আস্মিক পরিদর্শনে এসে সিভিল সার্জন ডা. কামরুল জমাদ্দার, মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. আহাম্মদ কবীর ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্টেনোটাইপিষ্ট মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
এদিন বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। এসময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন সরমঞ্জামদি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন।
এছাড়াও হাসপাতালের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ-চারিতা করেন। পরে তিনি জলাতংকের ভ্যাকসিন নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. আহাম্মদ কবীরকে প্রত্যাহার করেন।
তাছাড়া অনিয়ম ও কর্মস্থালে অনুপস্থিতির কারণ দেখিয়ে সিভিল সার্জন ডা. কামরুল জমাদ্দার ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী মিজানুর রহমাকে প্রত্যাহার করেন।
উল্লেখ্য, গত ১১ ই মার্চ মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমানের ঘুষ গ্রহণের ভিডিও বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রত্রিকার মাল্টিমিডিয়া ও মুন্সীগঞ্জের সময় পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া বিভাগে ও পরের দিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের পর স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমান দুই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানি ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। পরে জেলার প্রায় সকল উপজেলায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে জেলার সাংবাদিকগণ।
মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় মুন্সীগঞ্জ সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। সেই সাথে অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে জেলাবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানায়। এছাড়াও জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের মান উন্নয়ন হবে এমনটাই প্রত্যাশা।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়ন মাদকবিরোধী নির্মুল কমিটি গঠনে সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন জমাদার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামিম ওসমান ভূঁইয়া।
শিলই ইউনিয়ন মাদক বিরোধী নির্মুল কমিটি গঠনে হলেন যারা- পুলিশের সদর থানার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ প্রধান উপদেষ্ট হিসেবে মোঃ মমিনুল ইসলাম ও সদস্য পদে নরুল হক মোল্লা, আকরাম হোসেন বেপারী, মোঃ শাহিন মোল্লা, আলী আজগর পলাশ, রাতুল আহমেদ সজিব, মোতালেব হোসেন মেম্বার, বাদল মোল্লা, আলমগীর হাওলাদার, আরিফ বেপারী, জার্নালিস্ট মোঃ সুজন বেপারী, তুষার বেপারী।
শিলই ইউনিয়ন মাদকবিরোধী নির্মুল কমিটি সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন জমাদার বলেন,যা সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদক নির্মূলে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা জানি, মাদক আমাদের তরুণ প্রজন্মকে, আমাদের সমাজকে ভেতর থেকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন,মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং পুরো রাষ্ট্রকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন