খুঁজুন

আসসালামু আলাইকুম

[bangla_day], [english_date], [bangla_date]

তিনমাস পর গাজায় প্রবেশ করলো মানবিক সহায়তা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: Tuesday, ২০ মে, ২০২৫, ১০:৩৭ pm
তিনমাস পর গাজায় প্রবেশ করলো মানবিক সহায়তা
৫৯

টানা তিনমাসের অবরোধের পর অবশেষে গাজায় প্রবেশ করেছে মানবিক সহায়তা। স্থানীয় সময় সোমবার (২০ মে) কেরেম শালোম সীমান্ত দিয়ে গাজায় শিশুখাদ্যসহ জরুরি সহায়তা বহনকারী পাঁচটি ট্রাক প্রবেশ করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সংস্থা কোগাট।

গাজায় খাদ্যসংকটের ফলে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থেকে ইসরায়েলের মিত্র দেশগুলো ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছিল। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা চাপের কথা স্বীকার করেছে ইহুদি দেশটি। একারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই গাজা উপত্যকায় ত্রান পাঠাতে ইসরায়েল সম্মতি দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে ক্ষুধার্ত, তৃষ্ণার্ত প্রায় ২০ জানিয়েজেবাসীরবে এই সহায়তা ধোয় তিনি ‘জলাশয়ে একটি বিন্দুর মতো’ বলে মন্তব্য করেছেন।

টম ফ্লেচার বলেন, গাজায় প্রচুর পরিমাণে সহায়তা প্রয়োজন। মার্চ মাসে ইসরায়েল যখন সাময়িক যুদ্ধবিরতি শেষ করেছিল, তখন প্রতিদিন প্রায় ৬০০ ট্রাক গাজায় প্রবেশ করতো।

তিনি জানান, জাতিসংঘের আরও চারটি ট্রাক গাজায় প্রবেশের অনুমতি পেয়েছে। সেগুলো মঙ্গলবার প্রবেশ করতে পারে বলে জানিয়েছে কোগাটি।

তিনি আরও বলেন, স্থল পরিস্থিতি বিশৃঙ্খল হওয়ায় এসব জরুরি সহায়তা সামগ্রী লুট বা চুরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, কারণ সম্পদ দিন দিন কমে আসছে।

গত ২ মার্চ সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়ে হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করার অযুহাতে গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা প্রবেশ বন্ধ করে দেয় ইসরায়েল। এরপর টানা তিনমাস ধরে চলে এই অবরোধ। একটু একটু করে ফুরিয়ে আসে গাজার খাবার, ওষুধসহ জরুরি সব জিনিস। ক্ষুধার জ্বালায় ওষ্ঠাগত হয়ে ওঠে বাসিন্দাদের প্রাণ। এমনকি ইসরায়েলের বোমা থেকে ক্ষুধাকে বেশি ভয় পেতে শুরু করেন গাজাবাসী।কে

বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ নিয়ে ইসরায়েলের ওপর চাপ আসতে শুরু করে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজায় সীমিত পরিসরে সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গাজা থেকে অনাহারে ভোগা মানুষের চিত্র আসতে থাকলে মিত্র দেশগুলো ইসরায়েলের নতুন সামরিক অভিযানে সমর্থন দিতে পারবে না-এ কারণে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।

এদিকে ইসরায়েলের এই পাঁচ ট্রাক সহায়তাকে ‘একদম অপ্রতুল’ বলে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডা। ইসরায়েলের এমন পদক্ষেপের জন্য তারা নিষেধাজ্ঞার মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। পাশাপাশি গাজা উপত্যকায় নির্মম হামলা বন্ধ করার জন্য ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

ওই বিবৃতির নিন্দা জানিয়ে একে ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ওপর গণহত্যামূলক হামলার জন্য এক বিশাল পুরস্কার বলে তিরস্কার করেছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।

এদিকে গত সপ্তাহের শেষ থেকে গাজাজুড়ে নতুন করে বিমান ও স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। উপত্যকার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খান ইউনিস

থেকে জনগণকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সেনারা। প্রায় ১৯ মাসব্যাপী যুদ্ধে এরই মধ্যে শহরের বড় একটি অংশই ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইসরায়েলের দাবি জিম্মি মুক্ত করার লক্ষ্যে হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে হামাস বলছে, তারা কেবল স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিনিময়েই জিম্মিদের ছাড়বে।

তাছাড়া সোমবার গাজার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনাও পুর্নব্যক্ত করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ইসরায়েল এমন একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে যাতে গাজার অনেক বাসিন্দা অন্যান্য দেশে স্বেচ্ছায় অভিবাসবন করবেন। যদিও ফিলিস্তিনিরা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ইসরায়েলের ওপর মিত্রদের চাপ

এক ভিডিও বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, এই বিশ্বে আমাদের সবচেয়ে খনিষ্ঠ মিত্ররা জানিয়েছে, তারা এই অনাহারের চিত্র দেখতে পারবে না, এসব বন্ধ না হলে তারা আামদের সমর্থন দিতে পারবে না।

গাজায় ইসরায়েলের এই বর্বর হামলাকে সমর্থন জানিয়ে আসা যুক্তরাষ্ট্র সেখানকার খাদ্যসংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্য সফরে এসে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বিশ্লেষকদের দাবি, নিজের জোট সরকারের কট্টর ডানপন্থিদের ক্ষোভ কমাতে এই বিবৃতি দিয়েছেন নেতানিয়াহু। কারণ তারা গাজায় সাহায্য প্রবেশ করতে দিতে রাজি ছিলেন না।

নেতানিয়াহু বলেন, গাজায় সহায়তা দেওয়া হবে সীমিত পরিসরে এবং এটি তত্ত্বাবধান করবে সেনাবাহিনী। হামাস যেন কোনোভাবে

এই সহায়তা না পায় তা নিশ্চিত করা হবে। তবে জাতিসংঘের সংস্থা ও ত্রাণ সংগঠনগুলো এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে। এভাবে সাহায্য দিলে তা যথেষ্ট মানুষের কাছে পৌছাবে না। তাছাড়া এই পদক্ষেপে সাহায্যকে একটি কৌশলগত অস্ত্রে পরিণত করা হবে, যা মানবিক নীতিমালার পরিপন্থি। তারা এতে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার হুমকি

ফ্রান্স, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের বিবৃতিকে গাজা যুদ্ধ ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড নিয়ে তাদের অন্যতম কঠোর সমালোচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে বলে জানিয়েছে দেশগুলো। পাশাপাশি এই পরিকল্পনাকে অবৈধ বলে অভিহিত করেছে তারা।

তাদের ভাষ্যে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার হিসেবে ইসরায়েলকে তারা সবসময় সমর্থন করেছে, তবে গাজায় তারা যা করছে তা অতিরঞ্জিত।

এছাড়া নতুন সাহায্য বিতরণ প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে একে মানবিক আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলেও মন্তব্য করেছে তারা। গত দুই বছরে কানাডা পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারী সহিংসতা নিয়ে ইসরায়েলের ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তবে ফ্রান্স এককভাবে কতটুকু পদক্ষেপ নিতে পারবে তা পরিষ্কার নয়, কারণ দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য।

এদিকে সোমবার পৃথক এক বিবৃতিতে জার্মানি, ইতালি, জাপানসহ ১৮ টি দেশ গাজায় পূর্ণ পরিসরে জাতিসংঘ ও অন্যান্য ত্রাণ সংগঠনগুলোর সহায়তায় গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশ করতে দিতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

সরকারি হরগঙ্গা কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় ছাত্রশক্তির হেল্প ডেস্ক কর্মসূচি

আব্দুল্লাহ খান
প্রকাশিত: Saturday, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৮ pm
সরকারি হরগঙ্গা কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় ছাত্রশক্তির হেল্প ডেস্ক কর্মসূচি

 

মুন্সিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি হরগঙ্গা কলেজে ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে একটি হেল্প ডেস্ক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মসূচির মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের মাঝে কলম, বিশুদ্ধ পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অভিভাবকদের জন্য বসার সুব্যবস্থা রাখা হয়। এছাড়াও জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা, রক্তচাপ (প্রেসার) মাপা সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল আলিম, যুগ্ম সমন্বয়ক ফারজানা আক্তার, জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক শিশির হাসান, মুখ্য সংগঠক শান্ত, যুগ্ম সদস্য সচিব নয়ন আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক অভি আহমেদ এবং মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির সদস্য সচিব জুয়েল আহমেদসহ জেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সরকারি হরগঙ্গা কলেজ মুন্সিগঞ্জ জেলার একটি ঐতিহাসিক ও স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে জেলায় এবং সারাদেশে সুপরিচিত। প্রতিবছর এই কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে থাকে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নিতে আসে।

অনিয়ম ও ভূল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের ৩ জন প্রত্যাহার

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Saturday, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪২ pm
অনিয়ম ও ভূল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের ৩ জন প্রত্যাহার

 

মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ঘুষ গ্রহণকারী কর্মচারী স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমানসহ
ভুল তথ্য ছড়ানো ও কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অনুপস্থিতি থাকা ও নানা অনিয়মের অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের ৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে জেলা শহরের ২৫০ শয্যার মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে আস্মিক পরিদর্শনে এসে সিভিল সার্জন ডা. কামরুল জমাদ্দার, মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. আহাম্মদ কবীর ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্টেনোটাইপিষ্ট মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

এদিন বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। এসময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন সরমঞ্জামদি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন।

এছাড়াও হাসপাতালের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ-চারিতা করেন। পরে তিনি জলাতংকের ভ্যাকসিন নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. আহাম্মদ কবীরকে প্রত্যাহার করেন।

তাছাড়া অনিয়ম ও কর্মস্থালে অনুপস্থিতির কারণ দেখিয়ে সিভিল সার্জন ডা. কামরুল জমাদ্দার ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী মিজানুর রহমাকে প্রত্যাহার করেন।

উল্লেখ্য, গত ১১ ই মার্চ মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমানের ঘুষ গ্রহণের ভিডিও বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রত্রিকার মাল্টিমিডিয়া ও মুন্সীগঞ্জের সময় পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া বিভাগে ও পরের দিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের পর স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমান দুই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানি ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। পরে জেলার প্রায় সকল উপজেলায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে জেলার সাংবাদিকগণ।

মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় মুন্সীগঞ্জ সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। সেই সাথে অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে জেলাবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানায়। এছাড়াও জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের মান উন্নয়ন হবে এমনটাই প্রত্যাশা।

 

মুন্সীগঞ্জ শিলই ইউনিয়ন মাদক নির্মুল কমিটি সভাপতি জাকির, সাধারণ সম্পাদক ওসমান।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Thursday, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০২ pm
মুন্সীগঞ্জ শিলই ইউনিয়ন মাদক নির্মুল কমিটি সভাপতি জাকির, সাধারণ সম্পাদক ওসমান।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়ন মাদকবিরোধী নির্মুল কমিটি গঠনে সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন জমাদার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামিম ওসমান ভূঁইয়া।

শিলই ইউনিয়ন মাদক বিরোধী নির্মুল কমিটি গঠনে হলেন যারা- পুলিশের সদর থানার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ প্রধান উপদেষ্ট হিসেবে মোঃ মমিনুল ইসলাম ও সদস্য পদে নরুল হক মোল্লা, আকরাম হোসেন বেপারী, মোঃ শাহিন মোল্লা, আলী আজগর পলাশ, রাতুল আহমেদ সজিব, মোতালেব হোসেন মেম্বার, বাদল মোল্লা, আলমগীর হাওলাদার, আরিফ বেপারী, জার্নালিস্ট মোঃ সুজন বেপারী, তুষার বেপারী।

শিলই ইউনিয়ন মাদকবিরোধী নির্মুল কমিটি সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন জমাদার বলেন,যা সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদক নির্মূলে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা জানি, মাদক আমাদের তরুণ প্রজন্মকে, আমাদের সমাজকে ভেতর থেকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন,মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং পুরো রাষ্ট্রকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।

You cannot copy content of this page