মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চিতলিয়া বাজারের চর আবদুল্লাহ নৌ পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন এলাকায় নদীর পাড়ে ড্রেজার বসিয়ে ফসলি জমি ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ফাঁড়ির কাছাকাছি এলাকায় প্রকাশ্যে ড্রেজার চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, চর আবদুল্লাহ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পাশে নদীর পাড়ে একটি ড্রেজার বসানো হয়েছে। ড্রেজারের পাইপের মাধ্যমে নদী থেকে মাটি বা বালু উত্তোলন করে আশপাশের এলাকায় নেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান। ড্রেজারটির কার্যক্রম তদারক করতে জিয়া ও জামাল নামের দুই ব্যক্তিকে সেখানে দেখা যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি বা বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীর ও আশপাশের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি ফসলি জমি ভরাটের কারণে কৃষিজমি কমে যাওয়ারও আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
ড্রেজার পরিচালনার বৈধ অনুমতি আছে কি না জানতে চাইলে জামাল বলেন, “দেশের বিভিন্ন স্থানে শত শত ড্রেজার চলছে। কোনো ড্রেজারেই বৈধতা নেই। আমার ড্রেজার চালানোর জন্যও কোনো প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া হয়নি।”
তাঁর এই বক্তব্যের পরও পুলিশ ফাঁড়ির পাশেই ড্রেজার চালানোর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে ড্রেজার চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা অবৈধভাবে ড্রেজার পরিচালনা বন্ধ এবং ফসলি জমি রক্ষায় দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানার জন্য একাধিকবার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার অফিসিয়াল নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।