আশরাফ ইকবাল। তাঁর পরিচয় একটি বা দু’টি নয়, ততোধিক। সবচেয়ে বড় পরিচয়- তিনি একজন উদারমনা, অসাম্প্রদায়িক মনের মানুষ।

সদা হাস্যোজ্জ্বল, নিরহংকার এক উদীয়মান তরুণ প্রজন্মের প্রিয় শিক্ষক, সাংবাদিক, সম্পাদক, সংগঠক ও লেখক। শুধুই কি কবি তিনি! বলতে পারি কখনও কবি, কখনও ছন্দ ছড়ায় আঁকেন বিচিত্র ছবি। কখনও লেখক বা প্রাবন্ধিক, সিদ্ধ হস্তে তুলেন ধরেন সমাজ, দেশ কিংবা বিশ্বের চিত্র। জেগে থাকেন সদা প্রহরীর মতো।

কখনও তিনি সাংবাদিক। সফল সাংবাদিক তো বটেই, তরুণ প্রজন্মের জন্য তিনি একজন আদর্শ কলাম লেখক। কাজ করেছেন বহু ম্যাগাজিন ও পত্রিকায়। সম্পাদনা করছেন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের মুখপত্র ঝিকুটপত্র। নির্বাচিত হয়েছিলেন- সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক (২০১৬-১৮)।

একজন সফল সংগঠকও তিনি। গড়ে তুলেছেন- বিক্রমপুরের প্রাণ ফিরিয়ে দিতে’ মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর লেখক ফোরাম ও ঝিকুট ফাউন্ডেশন। তিনি ছিলেন লেখক ফোরামের সফল প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। একজন আদর্শ শিক্ষকও তিনি। গড়ে তুলেছেন ম্যাপস রেসিডেন্সিয়াল স্কুল। নীতিবান, নিষ্ঠাবান এক জলন্ত নক্ষত্র তিনি।

২০১৫ সালে, বের করেছিলেন-‘প্রভাত’ নামে বিক্রমপুরের তরুণ প্রজন্ম নিয়ে এক আলোকবর্তিকা সংকলন। তাঁর হাত ধরে বহু তরুণ কবি ও লেখক জন্ম নিয়েছে। আমি ‘মুহিব বিন ইসহাক ছোটন’ তাদের মধ্যে খুবই নগন্য একজন।

ভাইকে দেখেছি খুব কাছ থেকে, আপন করে। কখনও তাকে এতটুকু রাগ কিংবা গোস্বা করতে দেখিনি। তাঁর বিরল ও কোমল স্নেহে ধন্য হতে পেরে আমি সত্যি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ।

বহুদিন সাহিত্য সাধনায় থেকে তিনি নিজের জীবনের উজ্জল ক্যারিয়ারও অকাতরে ত্যাগ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হয়েও তিনি তথাকথিত ক্যারিয়ারের পিছনে লেগে থাকননি।

একজন খাঁটি ও বিশুদ্ধ মনের সাহিত্যিক, ব্লগার, সাংবাদিক ও কবি। শুধু বিক্রমপুরবাসীর জন্যই নন, দেশবাসীর জন্যও তিনি এক অসামান্য সম্পদ। তাঁর উত্তরোত্তর উন্নতি ও সফলতা কামনা করছি। আল্লাহ্ তায়ালা ইকু (আশরাফ ইকবাল) ভাইকে তার সাহিত্যসহ অন্য সকল মিশনে সফল করুন। আমিন।

লেখক: মুহিব বিন ইসহাক
কবি ও কথাশিল্পী,
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক,
মুন্সিগঞ্জ- বিক্রমপুর লেখক ফোরাম।