মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন মোকামখোলা থেকে সাঁতুল্লা ব্রিজ পর্যন্ত চলমান খাল খনন ও সংস্কারকাজ পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী। তিনি জানিয়েছেন, প্রকল্পের প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) দুপুরে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি খননকাজের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক বলেন, খালটির খননকাজ সম্পন্ন হলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ নিশ্চিত হবে। দীর্ঘদিন ধরে খালটি নাব্যতা হারিয়ে ফেলায় স্থানীয় বাসিন্দারা নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন। কাজ শেষ হলে এসব সমস্যার উল্লেখযোগ্য সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি খননকাজের ফলে খালের পাড়ে জমা হওয়া মাটি স্থানীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ভরাটসহ উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহারের আহ্বান জানান। এতে একদিকে মাটির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নেও সহায়তা মিলবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে দ্রুতগতিতে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওয়াজেদ ওয়াসিফ, জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তারা, প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খালটির খননকাজ সম্পন্ন হলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে এবং কৃষি ও মৎস্য খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তারা দ্রুত অবশিষ্ট কাজ শেষ করার দাবি জানান।