খুঁজুন

আসসালামু আলাইকুম

[bangla_day], [english_date], [bangla_date]

খাল খননে অনিয়মের অভিযোগ, পরিদর্শনে ইউএনও

আব্দুল্লাহ খান
প্রকাশিত: Tuesday, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ pm
খাল খননে অনিয়মের অভিযোগ, পরিদর্শনে ইউএনও
২৩

 

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সংলগ্ন মোকামখোলা এলাকা থেকে সাতুল্লা ব্রিজ পর্যন্ত খাল খনন কাজ শুরু হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও কাজের মান নিয়ে উঠেছে নানা অভিযোগ।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে খাল খনন কাজ পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার। তিনি খননাধীন খালের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী পদ্মা নদীর সঙ্গে সংযোগস্থল গারুরগাঁও পর্যন্ত পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওয়াজেদ ওয়াসিফ, উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহ মোয়াজ্জেম রাজু, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ধীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকতার হোসেন মোল্লা, টঙ্গীবাড়ি প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মো. মাসুম হাসান আফিফ, সদস্য মো. আব্দুল্লাহ, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি জসিম শেখসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৫ হাজার ৭৭৬ মিটার দৈর্ঘ্যের খালটি খনন করা হচ্ছে। প্রকল্প অনুযায়ী খালের তলার প্রস্থ সাড়ে ৪ মিটার থেকে ১০ মিটার এবং ওপরের প্রস্থ ১৮ থেকে ২৫ মিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। গভীরতা ধরা হয়েছে প্রায় ৭ ফুট। প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৩ কোটি ৩৭ লাখ ৮১ হাজার ২৯০ টাকা, আর চুক্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৮৫ লাখ ৪৫ হাজার ১৩৯ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করছে সরোয়ার জাহান প্রাইভেট লিমিটেড। গত ২৫ মার্চ শুরু হওয়া এ কাজ আগামী ৩০ জুন ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, খননকাজে নির্ধারিত গভীরতা ও প্রস্থ মানা হচ্ছে না। পানি নিষ্কাশন ছাড়াই পানির ওপরেই কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে এবং অনেক স্থানে খাল পর্যাপ্ত গভীর করা হচ্ছে না। ফলে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এদিকে কয়েকজন কৃষকের অভিযোগ, ফসলি জমি কেটে ভারী যন্ত্র বসিয়ে কাজ করা হচ্ছে এবং খননকৃত মাটি কৃষিজমির ওপর ফেলা হচ্ছে, এতে জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের দাবি, খালের আগের অবস্থার তুলনায় দৃশ্যমান উন্নয়ন তেমন চোখে পড়ছে না। স্থানীয়রা দ্রুত কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর তদারকি দাবি করেছেন।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, শিডিউল অনুযায়ী খাল খননের কাজ চলছে এবং উপজেলা প্রশাসনের তদারকি অব্যাহত রয়েছে। কোথাও অনিয়ম পাওয়া গেলে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার বলেন, খাল খননের কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে কি না তা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। কৃষিজমিতে মাটি ফেলার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারও জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিবেদক: মো. মাসুম হাসান আফিফ,
টঙ্গীবাড়ি প্রতিনিধি।
০১৯৪১৮৫৬৮২৫
২১-০৪-২৬ইং

সরকারি হরগঙ্গা কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় ছাত্রশক্তির হেল্প ডেস্ক কর্মসূচি

আব্দুল্লাহ খান
প্রকাশিত: Saturday, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৮ pm
সরকারি হরগঙ্গা কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় ছাত্রশক্তির হেল্প ডেস্ক কর্মসূচি

 

মুন্সিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি হরগঙ্গা কলেজে ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে একটি হেল্প ডেস্ক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মসূচির মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের মাঝে কলম, বিশুদ্ধ পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অভিভাবকদের জন্য বসার সুব্যবস্থা রাখা হয়। এছাড়াও জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা, রক্তচাপ (প্রেসার) মাপা সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল আলিম, যুগ্ম সমন্বয়ক ফারজানা আক্তার, জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক শিশির হাসান, মুখ্য সংগঠক শান্ত, যুগ্ম সদস্য সচিব নয়ন আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক অভি আহমেদ এবং মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির সদস্য সচিব জুয়েল আহমেদসহ জেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সরকারি হরগঙ্গা কলেজ মুন্সিগঞ্জ জেলার একটি ঐতিহাসিক ও স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে জেলায় এবং সারাদেশে সুপরিচিত। প্রতিবছর এই কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে থাকে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নিতে আসে।

অনিয়ম ও ভূল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের ৩ জন প্রত্যাহার

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Saturday, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪২ pm
অনিয়ম ও ভূল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের ৩ জন প্রত্যাহার

 

মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ঘুষ গ্রহণকারী কর্মচারী স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমানসহ
ভুল তথ্য ছড়ানো ও কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অনুপস্থিতি থাকা ও নানা অনিয়মের অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের ৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে জেলা শহরের ২৫০ শয্যার মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে আস্মিক পরিদর্শনে এসে সিভিল সার্জন ডা. কামরুল জমাদ্দার, মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. আহাম্মদ কবীর ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্টেনোটাইপিষ্ট মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

এদিন বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। এসময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন সরমঞ্জামদি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন।

এছাড়াও হাসপাতালের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ-চারিতা করেন। পরে তিনি জলাতংকের ভ্যাকসিন নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. আহাম্মদ কবীরকে প্রত্যাহার করেন।

তাছাড়া অনিয়ম ও কর্মস্থালে অনুপস্থিতির কারণ দেখিয়ে সিভিল সার্জন ডা. কামরুল জমাদ্দার ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী মিজানুর রহমাকে প্রত্যাহার করেন।

উল্লেখ্য, গত ১১ ই মার্চ মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমানের ঘুষ গ্রহণের ভিডিও বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রত্রিকার মাল্টিমিডিয়া ও মুন্সীগঞ্জের সময় পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া বিভাগে ও পরের দিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের পর স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমান দুই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানি ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। পরে জেলার প্রায় সকল উপজেলায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে জেলার সাংবাদিকগণ।

মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় মুন্সীগঞ্জ সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। সেই সাথে অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে জেলাবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানায়। এছাড়াও জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের মান উন্নয়ন হবে এমনটাই প্রত্যাশা।

 

মুন্সীগঞ্জ শিলই ইউনিয়ন মাদক নির্মুল কমিটি সভাপতি জাকির, সাধারণ সম্পাদক ওসমান।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Thursday, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০২ pm
মুন্সীগঞ্জ শিলই ইউনিয়ন মাদক নির্মুল কমিটি সভাপতি জাকির, সাধারণ সম্পাদক ওসমান।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়ন মাদকবিরোধী নির্মুল কমিটি গঠনে সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন জমাদার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামিম ওসমান ভূঁইয়া।

শিলই ইউনিয়ন মাদক বিরোধী নির্মুল কমিটি গঠনে হলেন যারা- পুলিশের সদর থানার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ প্রধান উপদেষ্ট হিসেবে মোঃ মমিনুল ইসলাম ও সদস্য পদে নরুল হক মোল্লা, আকরাম হোসেন বেপারী, মোঃ শাহিন মোল্লা, আলী আজগর পলাশ, রাতুল আহমেদ সজিব, মোতালেব হোসেন মেম্বার, বাদল মোল্লা, আলমগীর হাওলাদার, আরিফ বেপারী, জার্নালিস্ট মোঃ সুজন বেপারী, তুষার বেপারী।

শিলই ইউনিয়ন মাদকবিরোধী নির্মুল কমিটি সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন জমাদার বলেন,যা সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদক নির্মূলে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা জানি, মাদক আমাদের তরুণ প্রজন্মকে, আমাদের সমাজকে ভেতর থেকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন,মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং পুরো রাষ্ট্রকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।

You cannot copy content of this page