খুঁজুন

আসসালামু আলাইকুম

[bangla_day], [english_date], [bangla_date]

টঙ্গীবাড়িতে স্বর্ণ চুরি উদ্ধার ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: Sunday, ১ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৪ pm
টঙ্গীবাড়িতে স্বর্ণ চুরি উদ্ধার ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ
১৯২

 

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় স্বর্ণ চুরি ও উদ্ধার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সুজন শিকদারসহ স্থানীয় কয়েকজন।

রোববার (১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার শিলিমপুর এলাকায় সাংবাদিকদের কাছে তারা এ প্রতিবাদ জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিলিমপুর এলাকার বাসিন্দা বালিগাঁও বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী রাজন মন্ডলের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ ভরি স্বর্ণ চুরি হয়।
ঘটনার পর তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে দীর্ঘ সময়েও প্রশাসনের পক্ষ থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণ বা অভিযুক্তদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করা হয়।

প্রায় পাঁচ মাস পর গত ২১ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী রাজন মন্ডল ও কয়েকজনের সহযোগিতায় সন্দেহভাজনদের সন্ধান পাওয়া যায়। তথ্যের ভিত্তিতে সোনারং এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে গিয়ে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় চুরি হওয়া স্বর্ণের একটি অংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর দাবি, তার ভাগ্নি শ্রাবন্তীর কাছে স্বর্ণের একটি অংশ পাওয়া যায়। তার সঙ্গে ছিলেন তরঙ্গ শিকদার নামের এক যুবক। অভিযোগ রয়েছে, তারা স্বর্ণ নিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন।

অন্যদিকে, স্বর্ণ উদ্ধারের সময় উপস্থিত থাকা সুজন শিকদার বলেন, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ রাজন মন্ডলের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাকে ও কামরুল শেখকে জড়িয়ে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে রাজন মন্ডল ভিন্ন বক্তব্য দিয়ে বলেন, তরঙ্গ শিকদার তার ভাগ্নিকে প্রলোভন দেখিয়ে স্বর্ণ চুরিতে জড়ায় এবং তাকে নিয়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে স্বর্ণ উদ্ধারের সময় চুরি হওয়া সব স্বর্ণ ফেরত দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে ভিন্নতা থাকায় প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসনের তদন্ত জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এবিষয়ে টঙ্গীবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল হক ডাবলু বলেন, চুরির ঘটনার পর চোরের সন্ধান পেলে আইন নিজের হাতে না নিয়ে দ্রুত পুলিশকে জানানো উচিত ছিল। তা হলে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক এবং চুরি হওয়া সম্পূর্ণ স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারত।

 

সরকারি হরগঙ্গা কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় ছাত্রশক্তির হেল্প ডেস্ক কর্মসূচি

আব্দুল্লাহ খান
প্রকাশিত: Saturday, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৮ pm
সরকারি হরগঙ্গা কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় ছাত্রশক্তির হেল্প ডেস্ক কর্মসূচি

 

মুন্সিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি হরগঙ্গা কলেজে ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে একটি হেল্প ডেস্ক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মসূচির মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের মাঝে কলম, বিশুদ্ধ পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অভিভাবকদের জন্য বসার সুব্যবস্থা রাখা হয়। এছাড়াও জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা, রক্তচাপ (প্রেসার) মাপা সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল আলিম, যুগ্ম সমন্বয়ক ফারজানা আক্তার, জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক শিশির হাসান, মুখ্য সংগঠক শান্ত, যুগ্ম সদস্য সচিব নয়ন আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক অভি আহমেদ এবং মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির সদস্য সচিব জুয়েল আহমেদসহ জেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সরকারি হরগঙ্গা কলেজ মুন্সিগঞ্জ জেলার একটি ঐতিহাসিক ও স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে জেলায় এবং সারাদেশে সুপরিচিত। প্রতিবছর এই কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে থাকে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নিতে আসে।

অনিয়ম ও ভূল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের ৩ জন প্রত্যাহার

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Saturday, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪২ pm
অনিয়ম ও ভূল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের ৩ জন প্রত্যাহার

 

মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ঘুষ গ্রহণকারী কর্মচারী স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমানসহ
ভুল তথ্য ছড়ানো ও কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অনুপস্থিতি থাকা ও নানা অনিয়মের অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের ৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে জেলা শহরের ২৫০ শয্যার মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে আস্মিক পরিদর্শনে এসে সিভিল সার্জন ডা. কামরুল জমাদ্দার, মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. আহাম্মদ কবীর ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্টেনোটাইপিষ্ট মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

এদিন বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। এসময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন সরমঞ্জামদি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন।

এছাড়াও হাসপাতালের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ-চারিতা করেন। পরে তিনি জলাতংকের ভ্যাকসিন নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. আহাম্মদ কবীরকে প্রত্যাহার করেন।

তাছাড়া অনিয়ম ও কর্মস্থালে অনুপস্থিতির কারণ দেখিয়ে সিভিল সার্জন ডা. কামরুল জমাদ্দার ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী মিজানুর রহমাকে প্রত্যাহার করেন।

উল্লেখ্য, গত ১১ ই মার্চ মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমানের ঘুষ গ্রহণের ভিডিও বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রত্রিকার মাল্টিমিডিয়া ও মুন্সীগঞ্জের সময় পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া বিভাগে ও পরের দিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের পর স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমান দুই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানি ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। পরে জেলার প্রায় সকল উপজেলায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও স্টেনোটাইপিস্ট মো মিজানুর রহমানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে জেলার সাংবাদিকগণ।

মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় মুন্সীগঞ্জ সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। সেই সাথে অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে জেলাবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানায়। এছাড়াও জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের মান উন্নয়ন হবে এমনটাই প্রত্যাশা।

 

মুন্সীগঞ্জ শিলই ইউনিয়ন মাদক নির্মুল কমিটি সভাপতি জাকির, সাধারণ সম্পাদক ওসমান।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Thursday, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০২ pm
মুন্সীগঞ্জ শিলই ইউনিয়ন মাদক নির্মুল কমিটি সভাপতি জাকির, সাধারণ সম্পাদক ওসমান।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়ন মাদকবিরোধী নির্মুল কমিটি গঠনে সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন জমাদার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামিম ওসমান ভূঁইয়া।

শিলই ইউনিয়ন মাদক বিরোধী নির্মুল কমিটি গঠনে হলেন যারা- পুলিশের সদর থানার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ প্রধান উপদেষ্ট হিসেবে মোঃ মমিনুল ইসলাম ও সদস্য পদে নরুল হক মোল্লা, আকরাম হোসেন বেপারী, মোঃ শাহিন মোল্লা, আলী আজগর পলাশ, রাতুল আহমেদ সজিব, মোতালেব হোসেন মেম্বার, বাদল মোল্লা, আলমগীর হাওলাদার, আরিফ বেপারী, জার্নালিস্ট মোঃ সুজন বেপারী, তুষার বেপারী।

শিলই ইউনিয়ন মাদকবিরোধী নির্মুল কমিটি সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন জমাদার বলেন,যা সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদক নির্মূলে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা জানি, মাদক আমাদের তরুণ প্রজন্মকে, আমাদের সমাজকে ভেতর থেকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন,মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং পুরো রাষ্ট্রকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।

You cannot copy content of this page