অক্টোবর ২২, ২০১৯ ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
সর্বশেষ
বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিশ্ব নেতাদের শ্রদ্ধা

বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিশ্ব নেতাদের শ্রদ্ধা

বিশ্ব নেতৃবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবদ্দশায় এবং নির্মম হত্যাকা-ের পরও তার প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রাজনীতিবিদ, সমাজকর্মী এবং সাংবাদিকসহ আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের করা মন্তব্য সংবাদপত্র ও বিভিন্ন প্রকাশনায় প্রকাশিত হয়েছে। খবর বাসসর

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড উইলসন বঙ্গবন্ধুর হত্যার খবর শুনে এক বাঙালী সাংবাদিককে লিখেছিলেন, এ ঘটনা তোমার, আমার জন্য একটি সর্বোচ্চ জাতীয় ট্র্যাজেডি, এটি একটি অপরিমেয় মাত্রার ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি।

১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে নির্জোট সম্মেলনে প্রথমবারের মতো দুই অতুলনীয় নেতার সাক্ষাতকালে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কে কিউবার নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রোর একটি মন্তব্য উল্লেখ করা হয়। সেদিন ক্যাস্ত্রো বলেছিলেন, আমি হিমালয় দেখিনি, তবে শেখ মুজিবের ব্যক্তিত্ব ও সাহসিকতা দেখেছি। এই লোকটি একটি হিমালয় পর্বত। আমি তাকে দেখে হিমালয় পর্বত দেখার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। কিউবার নেতা ক্যাস্ত্রো সম্মেলন শেষে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে এ মন্তব্য করেন। মিসরের এক বিখ্যাত সাংবাদিক হ্যাসনিন হেইক্যাল বঙ্গবন্ধুকে বাঙালীর বীর হিসেবে উল্লেখ করে বলেছিলেন, শেখ মুজিব শুধু বাংলাদেশের নয়, তিনি ছিলেন সকল বাঙালীর মুক্তির অগ্রদূত।

আল আহ্রাম পত্রিকার সাবেক সম্পাদক এবং মিসরের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট নাসেরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সাংবাদিক হ্যাসনিন হেইক্যাল বলেন, মুজিব অতীতে এবং এ সময়ের বাঙালী বীর।

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাত করার এবং কয়েকটি জনসভায় যোগ দেয়ার সুযোগ পাওয়া এক বিখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক লিখেছিলেন, বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠ ছিল চমৎকার। তিনি জনসভায় লোকদের মুগ্ধ করতে পারতেন। লন্ডন অবজারভার পত্রিকার বিশিষ্ট সাংবাদিক সাইরিল ডুন তার এক নিবন্ধে লিখেছিলেন, বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন এমন এক নেতা, যার রক্ত, জাতি, ভাষা, সংস্কৃতি এবং জন্মের পুরোটা জুড়েই ছিল পূর্ণাঙ্গ বাঙালী। ব্রিটিশ মানবতাবাদী আন্দোলনের প্রয়াত নেতা লর্ড ফেনার ব্রোকওয়ে এক মন্তব্যে বলেছিলেন, জর্জ ওয়াশিংটন, মহাত্মা গান্ধী, দ্য ভ্যালেরার চেয়েও শেখ মুজিব ছিলেন বড় মাপের মহান নেতা।

বিশ্ব নেতৃবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবদ্দশায় এবং নির্মম হত্যাকা-ের পরও তার প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রাজনীতিবিদ, সমাজকর্মী এবং সাংবাদিকসহ আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের করা মন্তব্য সংবাদপত্র ও বিভিন্ন প্রকাশনায় প্রকাশিত হয়েছে। খবর বাসসর

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড উইলসন বঙ্গবন্ধুর হত্যার খবর শুনে এক বাঙালী সাংবাদিককে লিখেছিলেন, এ ঘটনা তোমার, আমার জন্য একটি সর্বোচ্চ জাতীয় ট্র্যাজেডি, এটি একটি অপরিমেয় মাত্রার ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি।

১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে নির্জোট সম্মেলনে প্রথমবারের মতো দুই অতুলনীয় নেতার সাক্ষাতকালে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কে কিউবার নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রোর একটি মন্তব্য উল্লেখ করা হয়। সেদিন ক্যাস্ত্রো বলেছিলেন, আমি হিমালয় দেখিনি, তবে শেখ মুজিবের ব্যক্তিত্ব ও সাহসিকতা দেখেছি। এই লোকটি একটি হিমালয় পর্বত। আমি তাকে দেখে হিমালয় পর্বত দেখার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। কিউবার নেতা ক্যাস্ত্রো সম্মেলন শেষে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে এ মন্তব্য করেন। মিসরের এক বিখ্যাত সাংবাদিক হ্যাসনিন হেইক্যাল বঙ্গবন্ধুকে বাঙালীর বীর হিসেবে উল্লেখ করে বলেছিলেন, শেখ মুজিব শুধু বাংলাদেশের নয়, তিনি ছিলেন সকল বাঙালীর মুক্তির অগ্রদূত।

আল আহ্রাম পত্রিকার সাবেক সম্পাদক এবং মিসরের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট নাসেরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সাংবাদিক হ্যাসনিন হেইক্যাল বলেন, মুজিব অতীতে এবং এ সময়ের বাঙালী বীর।

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাত করার এবং কয়েকটি জনসভায় যোগ দেয়ার সুযোগ পাওয়া এক বিখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক লিখেছিলেন, বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠ ছিল চমৎকার। তিনি জনসভায় লোকদের মুগ্ধ করতে পারতেন। লন্ডন অবজারভার পত্রিকার বিশিষ্ট সাংবাদিক সাইরিল ডুন তার এক নিবন্ধে লিখেছিলেন, বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন এমন এক নেতা, যার রক্ত, জাতি, ভাষা, সংস্কৃতি এবং জন্মের পুরোটা জুড়েই ছিল পূর্ণাঙ্গ বাঙালী। ব্রিটিশ মানবতাবাদী আন্দোলনের প্রয়াত নেতা লর্ড ফেনার ব্রোকওয়ে এক মন্তব্যে বলেছিলেন, জর্জ ওয়াশিংটন, মহাত্মা গান্ধী, দ্য ভ্যালেরার চেয়েও শেখ মুজিব ছিলেন বড় মাপের মহান নেতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top