ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২০ ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
সর্বশেষ
কেমিক্যালে ফল পাকানো: সাবর্ক্ষণিক পরিবীক্ষণে ব্যবস্থা

কেমিক্যালে ফল পাকানো: সাবর্ক্ষণিক পরিবীক্ষণে ব্যবস্থা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: কেমিক্যালের (রাসায়নিক দ্রব্য) মাধ্যমে ফল পাকানো বন্ধ করতে হাইকোর্টের নির্দেশে গাইড লাইন প্রণয়ন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গাইড লাইন অনুযায়ী, কেমিক্যাল দিয়ে ফল পাকানো হচ্ছে কিনা, তা সার্বক্ষণিক পরিবীক্ষণ করা হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০১৪ সালের ২২ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা এ সংক্রান্ত রিট (নং-৪৪৯৬/১০) নির্দেশনার ভিত্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্ধারিত ছয় মাসের মধ্যে এ গাইড লাইন প্রণয়ন করেছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তা হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। এ গাউড লাইনের আওতায় একটি ‘কেন্দ্রীয় পরিবীক্ষণ কমিটি’ থাকবে। এ কমিটির সভাপতি থাকবেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব। এ ছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ, তথ্য, কৃষি,  স্থানীয় সরকার, স্বরাষ্ট্র,  শ্রম, শিল্প এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, বিসিএসআইআর, বিএসটিআই, পাবলিক হেলথ ইনস্টিটিউট, এফবিসিসিআই, কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা থাকবেন। তবে এ সব  মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবের নিম্নপদস্থ কোনো কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন না। জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি ক্যালসিয়াম কার্বাইড, পিজিআরসহ অনুমোদিত কেমিক্যাল কেনাবেচার রেজিস্ট্রার ও গুদাম পরিদর্শন এবং ব্যবহার পরিবীক্ষণ করবে। কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রচলিত আইন অনুয়ায়ী, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। মৌসুমী ফল বিশেষ করে আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, আনারস, পেয়ারা, কলা, পেঁপে, লেবু ইত্যাদিতে ক্যালসিয়াম কার্বাইড ও পিজিআরসহ অন্যান্য কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো ফলের স্বাস্থ্যগত ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরে জনগণকে সচেতন করতে প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এরই মধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয় নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ প্রণয়ন করেছে। এ আইনের আওতায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। এই কর্তৃপক্ষ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অন্তবর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে এ গাইড লাইন কার্যকর থাকবে। এ গাইড লাইন বাস্তবায়নে ‘নিরাপদ খাদ্যআইন-২০১৩’, ‘বিশেষ ক্ষমতা আইন- ১৯৭৪’, ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯’, ‘দণ্ডবিধি- ১৮৬০’-সহ অন্যান্য সব সংশ্লিষ্ট আইন প্রযোজ্য হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top